1. mostafi.ponie@gmail.com : Mostafi Ponie : Mostafi Ponie
  2. uzzal.arpon@gmail.com : Sajuti Nur : Sajuti Nur
  3. editor@sopnosarothi.com : uzzal.arpon :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২০, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
শুদ্ধাচার কৌশল অব্যহত চর্চার মাধ্যমে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও দেশ বিনির্মাণে স্বপ্নসারথি’র সংকল্প দৃঢ়। সুন্দর অভ্যাস গড়তে আপনিও এগিয়ে আসুন। লিখুন, মতামত দিন।

ব্রিটেনে হংকংয়ের অধিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে ক্ষেপেছে চীন

  • আপডেট টাইম: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০
  • ২৩ বার দেখা হয়েছে

স্বপ্নসারথি অনলাইন ।। হংকংয়ের বর্তমান পরিস্থিতিতে সুসংবাদ দিয়েছিল ব্রিটেন। চীনের ওপর চাপ বাড়িয়ে হংকংয়ের ৩০ লাখ বাসিন্দাদের নাগরিকত্ব দেওয়া প্রস্তাব জানায় ব্রিটেন। বেইজিংকে রীতিমতো তুলোধোনা করে এমনটাই ঘোষণা করেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। কিন্তু তাদের এমন প্রস্তবে ক্ষেপেছে চীন।

আজ বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যকে এই প্রস্তাবের পরিণতি নিয়ে সতর্ক করেছে চীন। লন্ডনে চীনা দূতাবাস একটি বিবৃতি জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, হংকংয়ে বসবাসরত সমস্ত স্বদেশি ব্যক্তিই চীনা নাগরিক। আর ব্রিটেন যদি হংকং নিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত নেয়; তবে এটি তার নিজস্ব অবস্থান থেকে সরে যাবে। আন্তর্জাতিক আইন এবং মৌলিক নীতিমালার প্রতিশ্রুতিও লঙ্ঘন করবে দেশটি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা ব্রিটেনের এই ধরনের সিদ্ধান্তে দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করছি। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আমরা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করি। এক সংবাদ সম্মেলনে বেইজিংয়ের এক মুখপাত্র যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ব্রিটেন তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না। তাদের এই সিদ্ধান্তের পরিণতি ভোগ করতে হবে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসনের অভিযোগ, হংকং নিয়ে গত মঙ্গলবার যে নতুন নিরাপত্তা আইন পাস করেছে চীন, তা ১৯৮৫ সালে ব্রিটেন ও চীনের মধ্যে হওয়া যৌথ ঘোষণার পরিপন্থী। নতুন এই আইন স্পষ্টতই দুই দেশের আইনি চুক্তির খেলাপ করেছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালে চীনের হাতে হংকংয়ের হস্তান্তরের পর ৫০ বছর পর্যন্ত নির্দিষ্ট কয়েকটি ক্ষেত্রে হংকং এবং সেখানকার বাসিন্দাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না বেইজিং।

সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট (ইউকে)।

স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো লেখা
©All rights reserved ©sopnosarothi
কারিগরী সহায়তা: মোস্তাফী পনি