1. mostafi.ponie@gmail.com : Mostafi Ponie : Mostafi Ponie
  2. uzzal.arpon@gmail.com : Sajuti Nur : Sajuti Nur
  3. editor@sopnosarothi.com : uzzal.arpon :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২০, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
শুদ্ধাচার কৌশল অব্যহত চর্চার মাধ্যমে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও দেশ বিনির্মাণে স্বপ্নসারথি’র সংকল্প দৃঢ়। সুন্দর অভ্যাস গড়তে আপনিও এগিয়ে আসুন। লিখুন, মতামত দিন।

খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটুন, সুস্থ থাকুন

  • আপডেট টাইম: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০
  • ৫২ বার দেখা হয়েছে

স্বপ্নসারথি অনলাইন ।। একটা সময় ছিল যখন দাদা-দাদীরা প্রতিদিন সকালে উঠে খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটতেন। তারা বলতেন, এইভাবে হাঁটলে নাকি শরীরে কোনও রোগ আসে না। তাদের দীর্ঘ জীবনের সিক্রেটটা আসলে কী ছিল! কারণ বাস্তবিকই খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস করলে শরীরের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, বরং অনেক উপকার পাওয়া যায়। একাধিক গবেষণাতেও একথা প্রমাণিত হয়েছে।

এইসব স্ট্যাডি চলাকালীন গবেষকরা লক্ষ করেছেন খালি পায়ে হাঁটার সঙ্গে আমাদের শরীরের ভাল থাকার সরাসরি যোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, মস্তিষ্কের অন্দরের গঠন থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরে প্রতিটি কণাকে সুস্থ রাখতে খালি পায়ে হাঁটার যে কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। এমন কর্মব্যস্ত জীবনে শরীরের খেয়াল রাখা বেশিরভাগ সময়ই সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই তো এমন সহজ পদ্ধতিগুলির সাহায্য নেওয়া উচিত। না হলে একদিকে যেমন কমবে আয়ু, তেমনি বাড়বে একাধিক রোগের প্রকোপ। চলুন জেনে নেওয়া যাক খালি পায়ে হাঁটার উপকারিতা কী কী-

১. অনুভূতি আরও জোরদার হয়: কে বলে শুধু মানুষের অনুভূতি রয়েছে, পৃথিবীর অন্দরেও সেনসারি চ্যানেল রয়েছে, যার সঙ্গে আমাদের শরীরের সরাসরি যোগও আছে। কিন্তু সমস্যাটা হল মানুষ যখন থেকে ভদ্র হয়ে উঠেছে, অর্থাৎ জুতা পরা শুরু করেছে তখন মাটির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে এখন আর পরিবেশে উপস্থিত শক্তি মনুষের শরীর প্রবেশ করতে পারে না। সেই কারণেই এত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। তাই তো বলি, খালি পায়ে হাঁটা শুরু করুন। এমনটা করলে আমাদের পায়ের তলায় থাকা কিছু প্রেসার পয়েন্ট অ্যাকটিভ হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্ক এবং শরীর আরও বেশি করে অ্যাকটিভ হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে সিক্স সেন্সও বাড়তে শুরু করে।

২. হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ে: শরীরে রক্তচলাচল যখন স্বাভাবিকভাবে হতে থাকে, তখন ব্লাড ক্লট এবং আর্টারিতে ময়লা জমার আশঙ্কা কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ হার্টের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে থাকে না বললেই চলে। প্রসঙ্গত, খালি পায়ে হাঁটার আরেকটি উপকারিতা হল, এই সময় ব্লাড সেলগুলি মারাত্মক অ্যাকটিভ হয়ে যায়। ফলে রক্ত ঘন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৩. ইনসমনিয়া দূর হয়: এমন সমস্যার শিকার যদি আপনিও হয়ে থাকেন তো আজ থেকেই খালি পায়ে হাঁটা শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন বিনিদ্র রাত্রি যাপন আর করতে হবে না। কারণ খালি পায়ে হাঁটার সময় আমাদের শরীর থেকে নেগেটিভ এনার্জি বেরিয়ে যায়। সেই সঙ্গে স্ট্রেস রিলিজও হয়। শুধু তাই নয়, মস্তিষ্কে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যাওয়ার কারণে ঘুম আসতে আর কোনও অসুবিধাই হয় না। প্রসঙ্গত, শুধু খালি পায়ে হাঁটলেই যে এমন উপকার হয়, তা নয়। সাঁতার কাটলেও একই ফল মেলে।

৪. দেহের গঠনে উন্নতি ঘটে:
 একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে স্টাইলের চক্করে প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই তাদের পায়ের গঠনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জুতা পরেন না। ফলে ধীরে ধীরে পায়ের তলার গঠন খারাপ হতে শুরু করে। আর একবার পায়ের গঠন খারাপ হয়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পরে আমাদের শরীরের উপর। ফলে ব্যাক পেন, ঘারে যন্ত্রণা এবং গোড়ালিতে ব্যথা হওয়ার মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাহলে কী জুতা পরাই ছেড়ে দিতে হবে? একেবারেই না। তবে দুর্বল হয়ে যাওয়া পা যুগলেকে পুনরায় চাঙ্গা করে তুলতে খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস করতে হবে। এমনটা করলেই পায়ের শক্তি বাড়তে থাকবে। ফলে ভুল জুতা পরলেও শরীরের উপরে আর কু-প্রভাব পরবে না।

৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
 আমাদের পায়ের তলায় থাকা একাধিক সেন্সারি নার্ভ, খালি পায়ে হাঁটার সময় অ্যাকটিভ হয়ে গিয়ে শরীরের ভিতরে পজেটিভ এনার্জি তৈরি করতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে নানাবিধ সংক্রমমের আশঙ্কা একেবারে শূণ্য়ে এসে দাঁড়ায়।

৬. বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়: আজকের দুনিয়ায় সফল হতে গেলে বুদ্ধির তরোয়ালে ধার থাকাটা একান্ত প্রয়োজন, না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ! তাই তো বলি, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে একটু খালি পায়ে হাঁটাহাঁটি শুরু করুন। এমনটা করলেই দেখবেন ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের অন্দরে থাকা নিউরনগুলি মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে অ্যাকটিভ হয়ে যাবে। ফলে একদিকে যেমন স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাবে, তেমনি বুদ্ধির জোরও বাড়তে শুরু করবে। প্রসঙ্গত, যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে আমাদের শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশই পানি দিয়ে গঠিত। তাই তো মাটির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক যত নিবিড় হবে, তত আমাদের শরীরের অন্দরে নানাবিধ তরলের উপাদানের ভারসাম্য ঠিক থাকবে। ফলে রোগভোগের আশঙ্কা যেমন কমবে, তেমনি শরীর একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

৭. রক্তচলাচলে উন্নতি ঘটে:
 খালি পায়ে হাঁটের সময় মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সারা শরীরে রক্তচলাচল ঠিক মতো হতে শুরু করে দেয়। ফলে অক্সিজেন সমৃদ্ধি রক্ত বেশি বেশি করে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পৌঁছে গিয়ে তাদের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা চোখে পরার মতো হ্রাস পায়।

৮. পেশী ও হাড় শক্তপোক্ত হয়:
 খালি পায়ে হাঁটার সময় ভেনাস রিটার্ন বেড়ে যায়। অর্থাৎ বেশি বেশি করে রক্ত পৌঁছে যেতে শুরু করে হার্টে। ফলে পেশী এবং হাড় আরও শক্তপক্তো হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে হার্টের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

৯. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে: একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে প্রতিদিন ভোর বেলা, খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটলে পায়ের তলায় থাকা একাধিক প্রেসার পয়েন্টে চপ পরতে শুরু করে। এই সব প্রেসার পয়েন্টের সঙ্গে চোখের সরাসরি যোগ রয়েছে। ফলে পায়ের তলায় যত চাপ পরে, তত দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটতে শুরু করে।

এছাড়া আমাদের পায়ে অনেক reflexology জোন আছে যা দেহের চোখসহ অনেক অঙ্গের সাথে যুক্ত। খালি পায়ে হাঁটলে তখন গোটা দেহের ভার থাকে পায়ের ওপর। পায়ের reflexology জোন যেহেতু চোখের সাথেও যুক্ত তাই ঘাসের ওপর দিয়ে খালি পায়ে হাঁটলে চোখেরদৃষ্টি শক্তিবৃদ্ধি পায়। এছাড়া চোখের স্বাস্থ্যের জন্য সবুজ রং খুব উপকারী। তাই চোখের সুস্থতার জন্য প্রতিদিন সকালে ঘাসের ওপর দিয়ে হাঁটুন।

১০. অ্যাংজাইটি এবং মানসিক অবসাদ কমে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটলে মানসিক অবসাদ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে অ্যাংজাইটি লেভেলও নিম্নমুখি হয়। আসে খালি পায়ে হাঁটার সময় আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে এন্ডোরফিন নামক একটি ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। যে কারণে ডিপ্রেশন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

১১. পা সুস্থ রাখে: খালি পায়ে হাঁটতে পারলে পায়ের জন্য খুব ভালো ব্যায়াম হয়। এরফলে পায়ে শক্তি বৃদ্ধি পায়, পেশী মজবুত হয়, পায়ের রগ ও লিগামেন্টস, পায়ের গোড়ালি এবং পায়ের পাতা শক্তি বৃদ্ধি পায়। খালি পায়ে ঘাসে হাঁটলে কোনো কোনো আঘাত নিরাময় হয়, হাঁটুর সমস্যা ভালো হয়, পিঠের সমস্যাও ভালো হয়ে যায়।

১২. শরীরের ভারসাম্য রক্ষা পায়: জুতা পায়ে সবসময় হাঁটলে দেহের ভারসাম্য নষ্ট হয়। যদি খালি পায়ে হাঁটা হয় তবে পায়ের পেশি ভালোমতো কাজ করে এবং দেহের ভারসাম্য রক্ষা হয়।এটি দেহের অঙ্গ বিন্যাসকে সঠিক রাখতেও সাহায্য করে।

১৩. দেহে ভিটামিন ডি পুষ্টি যোগায়:
 যখন আপনি খালিপায়ে ঘাসের ওপর দিয়ে হাঁটেন তখন সূর্যের রশ্মি আমাদের দেহে ভিটামিন ডি যোগায়, ভিটামিন ডি আমাদের দেহের হাড় মজবুত করে, এবং হাড়ের যেকোন সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে। তাই সুস্থ থাকতে সকালের বা বিকেলের মৃদু রোদে খালি পায়ের ঘাসের ওপর কিছুক্ষণ হাঁটুন।

১৪. শারীরিক গড়ন ভালো রাখে: নামি ব্র্যান্ডের দামি জুতা-স্যান্ডেলের বেশিরভাগই সৌন্দর্য সর্বস্ব, শারীরিক কোনো উপকার মেলে না। বরং কিছু জুতা-স্যান্ডেল পরার কারণে পায়ের পাতা দূর্বল হয়ে যেতে পারে। বেশি উঁচু বা অসমতল জুতা পরলে পায়ের তলা সমানভাবে মাটিতে না পড়ার কারণে শারীরিক গড়নে সমস্যা দেখা দেয়। যার ফলাফল হতে পারে ঘাড় ব্যথা, পিঠ ব্যথা, হাঁটু ব্যথা ইত্যাদি। তাই খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস করতে হবে যাতে পায়ের পাতা, গোড়ালি ও পায়ের আঙ্গুল শক্তিশালী হয়।

১৫. স্নায়ুর সংবেদনশীলতা বাড়ায়:
 প্রাকৃতিক সংবেদনশীলতা আমাদের স্নায়ুকে শক্তিশালী করে। তবে বর্তমান যুগের অনেকেরই এই অভিজ্ঞতা নেই জুতা-স্যান্ডেলের বদৌলতে। পায়ের তলার কিছু অংশ মাটির স্পর্শের প্রতি সংবেদনশীল। পাশাপাশি খালি পায়ে হাঁটলে রাস্তার দিকে বেশি মনোযোগী হই, ফলে আমাদের মন আরো সতর্ক হয় এবং স্নায়ুর সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।

১৬. মেধা বৃদ্ধি: বিভিন্ন শরীরচর্চা যেমন মার্শাল আর্ট, যোগ ব্যায়াম খালি পায়ে করা হয়। কারণ, আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশই পানি, তাই আমাদের শরীর যতো বেশি মাটির সংস্পর্শে আসবে ততোই কার্যক্ষম থাকবে। খালি পায়ে হাঁটার কারণে শরীরে আয়নের যে ভারসাম্য বজায় থাকে যা শরীর সুস্থ্য রাখতে সহায়ক, পাশাপাশি বিকাশ ঘটে মেধা ও মননের।

১৭. হাড় মজবুত করে:
 সকালে খালি গায়ে হাঁটলে সূর্যের রশ্মির ভিটামিন ডি শরীরে জমা হয় এবং তা দেহের হাড় মজবুত করণে বিরাট ভূমিকা রাখে। তাছাড়া হাড়ের যেকোনো সমস্যা নিরসনে ভিটামিন ডি এর কোনো জুড়ি নেই। তাই সুস্থ থাকতে সকালের বা বিকেলের মৃদু রোদে খালি পায়ে ঘাসের ওপর হাঁটার অভ্যাস করুন। এতে যেমন শারীরিক উন্নতি ঘটে তেমনি মানসিক উন্নতিও সাধিত হয়।

১৮. স্ট্রেস দূর করে: ভোরবেলা সকালে খালি পায়ে ঘাসের উপর দিয়ে হাঁটলে মন খুব শান্ত থাকে ও সকালের পরিষ্কার বাতাস, মৃদু সূর্যের আলো ও সবুজ পরিবেশ সবকিছু মিলিয়েই মনকে চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করে। সকালে হাঁটার মাধ্যমে ফ্রেশ অক্সিজেন গ্রহণ করি আমরা, সূর্যের আলো দেহে ভিটামিন ডি যোগায় এবং সকালের শান্ত পরিবেশ আমাদের মন ভালো রাখে। এছাড়া খালি পায়ে হাঁটের সময় মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সারা শরীরে রক্তচলাচল ঠিক মতো হতে শুরু করে দেয়। ফলে অক্সিজেন সমৃদ্ধি রক্ত বেশি বেশি করে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পৌঁছে গিয়ে তাদের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা চোখে পরার মতো হ্রাস পায়।

১৯. ভারসাম্য রক্ষা পায়: জুতা পায়ে সবসময় হাঁটলে দেহের ভারসাম্য নষ্ট হয়। যদি খালি পায়ে হাঁটা হয় তবে পায়ের পেশি ভালোমতো কাজ করে এবং দেহের ভারসাম্য রক্ষা হয়।এটি দেহের অঙ্গ বিন্যাসকে সঠিক রাখতেও সাহায্য করে।

২০. অঙ্গ প্রতঙ্গ ভালো রাখে: বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের পাতা, শিরা-উপশিরা, গোড়ালি ইত্যাদি অঙ্গের শক্তি বৃদ্ধি পায়। ক্রনিক পেশির ব্যথা এবং জয়েন্টে ব্যথা কমে। হাঁটুর ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে খালি পায়ে হাঁটা।

২১. শক্তি বাড়ায়: নিয়মিত খালি পায়ে হাঁটলে পেশির শক্তি বৃদ্ধি পায়। প্রথমে হাঁটতে গিয়ে একটু অস্বস্তি অনুভব হলেও কয়েকদিন এভাবে হাঁটলে পেশিগুলো ভালোভাবে কাজ করে এবং পেশির শক্তি বাড়তে থাকে।

২২. মন চনমনে রাখে:
 অনেকেই মনে করেন পৃথিবীর মাটি- যেখানে ঘাস, লতাগুল্ম ইত্যাদি থাকে সেগুলোর স্পর্শ যদি পায়ের পাতা পায় তাহলে মন চনমনে হয়। তবে আমরা জুতা পায়ে হেঁটে এই অনুভূতি থেকে নিজেদের বিছিন্ন করে ফেলি। খালি পায়ে হাঁটলে প্রকৃতির অফুরান প্রাণশক্তি আপনাকেও স্পর্শ করতে পারে এবং এতে আপনার মানসিক চাপ কিছুটা হলেও দূর হবে।

স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো লেখা
©All rights reserved ©sopnosarothi
কারিগরী সহায়তা: মোস্তাফী পনি